বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৬ এপ্রিল ২০১৯

অনুমোদন প্রক্রিয়াধীন প্রকল্প

 

(১) বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড কমপ্লেক্স স্থাপন, মিরপুর, ঢাকা।

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৮ - ডিসেম্বর ২০২১ পর্যন্ত।

প্রকল্প এলাকাঃ মিরপুর, ঢাকা

বোর্ডের নিজস্ব অফিস ভবন নির্মাণের মাধ্যমে উন্নত  কর্মপরিবেশ সৃষ্টি; তাঁতিদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দক্ষ বস্ত্র প্রযুক্তিবিদ তৈরি; তাঁত পণ্যের বাজারজাতকরণ সুবিধা সৃষ্টি; এবং তাঁতিদের আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

ফলাফলঃ

  • বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের প্রধান কার্যালয়, বেসিক সেন্টার মিরপুর, প্রদর্শনী-কাম-বিক্রয় কেন্দ্র, তাঁত গবেষণা কেন্দ্র, তাঁত ব্যাংক, হ্যান্ডলুম আর্কাইভ ও অন্যান্য প্রয়োজনে একটি ১৩,০০০ বর্গফুট/ফ্লোর ১২ তলা বিশিষ্ট ভবন (১টি বেজমেন্টসহ) নির্মাণ হবে।
  • প্রস্তাবিত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হলে তাঁত বোর্ডের সুন্দর/মনোরম কর্মপরিবেশ সৃষ্টি হবে। যার ফলশ্রুতিতে কর্মকর্তা কর্মচারীদের কর্মস্পৃহা সৃষ্টি হবে ও দাপ্তরিক কাজকর্মের গতিশীলতা বৃদ্ধি পাবে।

 

প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থাঃ প্রকল্পের ডিপিপি অনুমোদনের জন্য বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় হতে ২৮-০২-২০১৮ তারিখে পরিকল্পনা কমিশনে প্রেরণ করা হয়েছে। গত ০১-০৪-২০১৮ তারিখে প্রকল্পের উপর পরিকল্পনা কমিশনে পিইসি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

 

(২) তাঁতপল্লি স্থাপন প্রকল্প, পাথরাইল, টাঙ্গাইল

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৮-জুন ২০২৩ পর্যন্ত।

উন্নত পরিবেশে তাঁতি এবং তাঁতি পরিবারের আবাসনসহ অন্যান্য নাগরিক সুযোগ সুবিধা প্রদান; দরিদ্র ও প্রান্তিক তাঁতিদের পুনর্বাসন; তাঁতিদের দক্ষতা বৃদ্ধি, বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর সেবা প্রদান এবং উৎপাদিত পণ্যের গুণগত মান উন্নয়ন; তাঁতিদের ন্যায্য মূল্যে সুতা ও কাঁচামাল সরবরাহ করা; উৎপাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণে সহায়তা প্রদান; দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে তাঁত বস্ত্র সরবরাহ; এবং তাঁতিদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

 

ফলাফলঃ

  • প্রস্তাবিত প্রকল্পের আওতায় ৯১২টি তাঁতি পরিবারকে পুনর্বাসন করা হবে।
  •  ১০০০ জন তাঁতির জন্য ৬.০০ লক্ষ বর্গফুট হ্যান্ডলুম শেড নির্মাণ।
  • প্রত্যক্ষভাবে ৮০০০ এবং পরোক্ষভাবে ১২০০০ লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থাঃ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই হয়েছে। গত ১১-০৭-২০১৮ তারিখে ডিপিপি প্রণয়নপূর্বক বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে।

 

(৩) তাঁতজাত পণ্যের বহুমূখীকরণ

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৮- ডিসেম্বর ২০২০ পর্যন্ত।

প্রাথমিকভাবে মানসিক ও শারীরিক প্রতিবন্ধি মহিলাদের ক্ষমতায়ন; পার্বত্য, আদিবাসি এবং অন্যান্য ধর্মাবলম্বী শ্রমশক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাদের ক্ষমতায়ন; বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের প্রশিক্ষকদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদান; যুব উদ্যোক্তাদেরকে প্রশিক্ষণ প্রদানের মাধ্যমে তাঁত শিল্পের সম্প্রসারণ; বাংলাদেশের যুবক তাঁতি সম্প্রদায়কে প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করা, যেন তারা ব্যবসার মাধ্যমে রাজস্ব আয় সর্বাধিক করতে পারে এবং তাদের উৎপাদিত দ্রব্য উন্নত দেশ যেমন, আমেরিকা, কানাডা, অষ্ট্রেলিয়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশসমূহ এবং দেশের অভ্যন্তরে ন্যায্যমূল্যে বিক্রয় করতে সক্ষম হয়; বাংলাদেশের তাঁত বস্ত্রকে বৈদেশিক বাজারে প্রদর্শণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা সৃষ্টি করা এবং বিশ্বব্যাপী তাঁতবস্ত্রের বাজার সম্প্রসারণ করার লক্ষ্যে প্রকল্পটি প্রস্তাব করা হয়েছে।

ফলাফলঃ

  • প্রকল্পটি অনুমোদিত ও বাস্তবায়িত হলে পরিবর্তিত বাজার চাহিদা এবং ক্রেতা পছন্দের সাথে সামঞ্জস্য রেখে বৈচিত্র্যময় তাঁত জাত পণ্য উৎপাদন সম্ভব হবে;
  • তাঁতপণ্যের নক্সা ও প্রযুক্তি উন্নয়নের মাধ্যমে বহুমুখী তাঁতপণ্য উৎপাদন, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারের  চাহিদা পূরণ, গ্রামীণ বেকার যুবক ও যুব মহিলাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে;
  • বাংলাদেশের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য তাঁত শিল্প টেকসই হবে।

 

প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থাঃ প্রকল্পের পিডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনের মাধ্যমে গত ২১-০১-২০১৮ তারিখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে (ইআরডি) প্রেরণ করা হয়েছে। প্রকল্পটির পিডিপিপির উপর গত ২২-০৭-২০১৮ তারিখে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। উক্ত সভায় প্রকল্পটির অনুকূলে DANIDA কে অর্থায়নের অনুরোধের নিমিত্ত পিডিপিপি ইআরডির সমন্বয় ও নরডিক অনুবিভাগের প্রেরণের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এডিপিপিতে প্রকল্পটি বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির নিমিত্ত বরাদ্দহীন অননুমোদিত প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে।

 

 

(৪) পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার উপজাতীয় তাঁতিদের আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, প্রদর্শনী কাম বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন এবং ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ কর্মসূচিঃ

বাস্তবায়নকালঃ জানুয়ারি ২০১৮ - জুন ২০২১ খ্রিঃ

প্রকল্প এলাকাঃ বান্দরবান, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি।

ফলাফলঃ

  • ৩টি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হতে বছরে ৯০০ জনকে প্রশিক্ষণ প্রদান করা হবে।
  • তাঁতিদের উৎপাদিত পণ্য ন্যায্যমূল্যে বিপণনের সুবিধার্থে প্রদর্শনী কাম বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন করা হবে;
  • ৩০০০ তাঁতের অনুকূলে চলতি মূলধন সরবরাহ করা হবে। ফলে ৯০০০ জন লোকের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

 

প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থাঃ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই করা হয়েছে। প্রকল্পটি জাপানি কারিগরী সহায়তায় বাস্তবায়নের জন্য এ সংক্রান্ত  প্রকল্প প্রস্তাব নির্ধারিত ছকে সন্নিবেশপূর্বক গত ১২-০৮-২০১৮ তারিখে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরের এডিপিপিতে প্রকল্পটি বৈদেশিক সাহায্য প্রাপ্তির নিমিত্ত বরাদ্দহীন অননুমোদিত প্রকল্প তালিকায় অন্তর্ভুক্ত আছে।   

 

(৫) তাঁতজাত পণ্যের গুদামঘর স্থাপন

বাস্তবায়নঃ জুলাই ২০১৮ - জুন ২০২১ পর্যন্ত ;

ফলাফলঃ

  • তাঁতিদের উৎপাদিত তাঁত বস্ত্রের গুদামজাতকরণ ও নিরাপত্তা প্রদান।

 

(৬) তাঁত বস্ত্রের প্রদর্শনী কাম বিক্রয় কেন্দ্র/তাঁত হাট স্থাপন

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৮ - জুন ২০২১ পর্যন্ত ;

ফলাফলঃ

  • উৎপাদিত তাঁত বস্ত্রের বিপণন সুবিধা প্রদান এবং আর্থসামাজিক অবস্থার উন্নয়ন।

 

(৭) তাঁত অধ্যূষিত এলাকায় আরও সার্ভিস সেন্টার ও বেসিক সেন্টার স্থাপন

বাস্তবায়নকালঃ জুলাই ২০১৮ - জুন ২০২১ পর্যন্ত।

ফলাফলঃ  

তাঁতিরা বয়নপূর্ব ও বয়নোত্তর এবং সম্প্রসারণমূলক বিভিন্ন সেবা গ্রহণ করতে পারবে।


Share with :

Facebook Facebook