বাংলাদেশ তাঁত বোর্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার
মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
সর্ব-শেষ হাল-নাগাদ: ১৭ জানুয়ারি ২০১৯

জনাব মোঃ রফিকুল ইসলাম

 

শিক্ষানুরাগী ব্যক্তিত্ব ও সরকারি কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম ১৫ ডিসেম্বর ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দে টাঙ্গাইল জেলার অন্তর্গত নাগরপুরের ঘোনাপাড়া গ্রামের সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা মো. বজলুর রহমান খান। মাতা রহিমা খাতুন।

 

মো. রফিকুল ইসলাম ঘোনাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় হতে প্রাথমিক শিক্ষা লাভের পর ১৯৭৬ খ্রিস্টাব্দে দেলদুয়ার উপজেলার এলাসিন তারক যোগেন্দ্র উচ্চ বিদ্যালয় হতে প্রথম বিভাগে তিনটি লেটার মার্কসসহ কৃতিত্বের সঙ্গে মাধ্যমিক পাস করেন ও ১৯৭৮ খ্রিস্টাব্দে সা’দত কলেজ, করটিয়া হতে উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। ১৯৮১ খ্রিস্টাব্দে (১৯৮৩ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত) বাংলাদেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় হতে পরিসংখ্যানে বিএসসি (অনার্স) ও ১৯৮২ খ্রিস্টাব্দে (১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে অনুষ্ঠিত) এম.এস.সি ডিগ্রি লাভ করেন। তিনি কম্পিউটার বিষয়ে বেসিক ও অ্যাডভান্স কোর্স এবং ডিপ্লোমা ইন সফটওয়্যার অ্যাপ্লিকেশন (DSA) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ২০১০ খ্রিস্টাব্দে MATT কোর্স এবং একই খ্রিস্টাব্দে ম্যানচেস্টার বিশ্ববিদ্যালয় থেকে MATT স্টেজ-২ (সুপার MATT কোর্স) সম্পন্ন করেন। তিনি ২০১১ খ্রিস্টাব্দে প্রথম শ্রেণিতে Master in Business Administration (MBA), ২০১৪ সালে প্রথম শ্রেণিতে Master in Public Policy and Management (MPPM) এবং ২০১৬ সালে LLB ডিগ্রি লাভ করেন। ছাত্র জীবনে প্রতিটি পরীক্ষাতেই তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। 

 

কৃতিত্বের সঙ্গে শিক্ষাজীবন পেরিয়ে ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে কৃষি ব্যাংকে সিনিয়র অফিসার হিসেবে যোগদানের মাধ্যমে তিনি কর্মজীবন শুরু করেন। ১৯৮৪ খ্রিস্টাব্দে ৫ম বিসিএস পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে (প্রশাসন) ক্যাডারে সরকারি চাকরিতে যোগদান করেন। পর্যায়ক্রমে তিনি সহকারী কমিশনার ও ম্যাজিস্ট্রেট- চট্টগ্রাম, ম্যাজিস্ট্রেট ইনচার্জ-উড়িরচর, সন্দ্বীপ, সহকারী কমিশনার (ভূমি)- রাঙ্গুনিয়া, চট্টগ্রাম, আরডিসি- মুন্সিগঞ্জ ও খুলনা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার- করিমগঞ্জ, কিশোরগঞ্জ, সিনিয়র সহকারী সচিব- প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ও অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট-নরসিংদীতে যোগ্যতা ও দক্ষতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন। ঐ পদে কর্মরত থাকা অবস্থায়  ২০০৩ খ্রিস্টাব্দে ১০ ফেব্রুয়ারি উপসচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। তিনি প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে কুড়িগ্রাম ও সিরাজগঞ্জ জেলা পরিষদে দায়িত্ব পালন  করেন। তিনি ১৯ নভেম্বর ২০০৬ খ্রিস্টাব্দ থেকে ২০০৮ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত লালমনিরহাটে জেলা প্রশাসক হিসেবে এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে উপসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২১ জুন ২০১০ থেকে অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার হিসেবে খুলনা বিভাগে দায়িত্ব পালন করেন। পরে তিনি যুগ্মসচিব পদমর্যাদায় বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ) এর সদস্য পদে কর্মরত ছিলেন। ২০১৪ সালের ১৩ জানুয়ারি তিনি অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন। ৩ বছরের অধিক সময় নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

গত ২১-১২-২০১৭ তারিখে তিনি বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে যোগদান করে নিষ্ঠার সহিত দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। ইতোমধ্যে বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের মাঠ পর্যায়ের সকল অফিস ও স্থাপনা এবং ভূ-সম্পত্তি তিনি সরেজমিনে পরিদর্শন করে তা দখল ও নিয়ন্ত্রণে নেয়ার ও যথাযথ ব্যবস্থাপনার জন্য বিভিন্ন প্রকল্প, কর্মসূচী ও কার্যক্রম গ্রহণ করেছেন ।

 

তিনি চাকরির সুবাদে দেশের প্রায় প্রতিটি জেলা ও অঞ্চল, ভারতের কলকাতা, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ, নরওয়ে, ইংল্যান্ড, থাইল্যান্ড, শ্রীলঙ্কা, ফ্রান্স, অস্ট্রেলিয়া, বেলজিয়াম, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া, মরিশাস, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ইটালি প্রভৃতি দেশ সফর করেছেন। ২০১৮ খ্রিস্টাব্দে তিনি সস্ত্রীক পবিত্র হজব্রত পালন করেন।

 

মো. রফিকুল ইসলাম পারিবারিক জীবনে ১৯৯০ খ্রিস্টাব্দে দিনাজপুরের মাকসুদা সুলতানা রেখার সঙ্গে শুভ পরিণয়সূত্রে আবদ্ধ হন। তিনি দুই পুত্রের আদর্শ জনক। জ্যেষ্ঠ পুত্র মো. রাকীন মাশরুর খান গাজীপুরে ও আইসি পরিচালিত আইইউটি থেকে বি এসসি ইঞ্জিনিয়ারিং (মেকানিক্যাল) ডিগ্রি অর্জন করে কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরির্দশন অধিদপ্তরের Assistant Inspertor General General (AIG) হিসেবে কর্মরত আছেন। কনিষ্ঠ পুত্র  মো. রাজীন মাখদুম খান সেনাবাহিনী পরিচালিত Bangladesh University of Professional এ BSS (Hons) in International Relations সম্পন্ন করে একই বিষয়ে MSS এ অধ্যয়ন করছেন।

 

জনাব মো. রফিকুল ইসলাম ছাত্রজীবন থেকেই ক্রীড়ানুরাগী এবং অবসর পেলেই বই পড়েন, কবিতা লিখেন ও গান শোনেন।   

 


Share with :

Facebook Facebook